ঈসা (আঃ) আগমন -কেয়ামত সিরিজ
ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ) আগমন। আমাদের বিশ্বাস ঈসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহতালা জীবিতাবস্থায় আকাশে উঠিয়ে নিয়েছেন। ইহুদিরা ইহুদিরা তাকে হত্যা করতে পারেনি।
কেয়ামতের পূর্বমুহূর্তে তিনি আমাদের নবীর উম্মত হয়ে আবার দুনিয়াতে আগমন করবেন। দাজ্জাল কে হত্যা করবেন ।খ্রিস্টান ধর্মের পতন ঘটাবে ,ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন, রাসুল সাঃ এর শরীয়ত দ্বারা বিচার-ফয়সালা করবেন এবং ইসলামের বিলুপ্ত হওয়া আদর্শ গুলোকে পুনর্জীবিত করবেন।
পৃথিবীতে নির্দিষ্ট সময় অবস্থান করার পর ঈসা ইবনে মরিয়ম আলাইহিস সালাম মৃত্যুবরণ করবেন। মুসলিমরা তার জানাযার নামায পড়ে তাকে তখন করবেন।
"এবং তারা বলে আমরা মারিয়াম এর পুত্র আল্লাহর রাসূলের ঈসা কে হত্যা করেছি। মূলত তারা তাকে হত্যা করতে পারেনি এবং ক্রুশবিদ্ধ করতে পারেনি বরং তাদেরকে সন্দেহ ফেলা হয়েছে। নিশ্চয়ই যারা তাতে মতবিরোধ করেছিল তারাই সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। কল্পনার অনুসরণ ব্যতিত এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই ।প্রকৃতপক্ষে তারা তাকে হত্যা করতে পারেনি। (সূরা নিসা ,আয়াত ১৫৭)
"আল্লাহ তাকে নিজের থেকে উঠিয়ে নিয়েছেন আল্লাহ পরাক্রান্ত ,মহাজ্ঞানী। (সূরা নিসা, আয়াত -১৫৮)
"আহলে কিতাবদের প্রত্যেকেই তার মৃত্যুর পূর্বে তার প্রতি ঈমান আনয়ন করবে এবং উথান দিবসে তিনি তাদের উপর সাক্ষ্য প্রদান করবেন।( সূরা নিসা, আয়াত-১৫৯)
মুফাসসিরগণ বলেন ,আখেরি জামানায় যখন ঈসা আলাইহিস সালামকে দুনিয়া অবতরণ করবেন তখন সকল কিতাব তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। ইহুদিদের দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হবে।
নিশ্চয়ই ঈসা আলাইহিস সালাম কেয়ামতের নিদর্শন। সুতরাং তোমরা কেয়ামতের ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ পোষণ করো না । আমার অনুসরণ করো। এটাই সরল পথ"। (সূরা যুখরুফ, আয়াত-৬১)
এই আয়াতে বলা হয়েছে, কিয়ামতের পূর্বে ঈসা আলাইহিস সালামের আগমন হবে । কিয়ামতের বড় আলামত তার আগমন নিকটবর্তী হওয়ার প্রমাণ বহন করবে"।
[তাফসীরে কুরতুবী , তাবারি ও ইবনে কাসীর]
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,ঐ আল্লাহর শপথ !যার হাতে আমার প্রাণ। অচিরেই ন্যায়বিচারক শাসক হিসাবে ঈসা (আঃ) তোমাদের মাঝে আগমন করবেন। তিনি ক্রুশ চিহ্ন ভেঙ্গে ফেলবেন শুকর হত্যা করবেন এবং জিজইয়া প্রত্যাখ্যান করবেন। ধন সম্পদ হবে এবং তা নেয়ার মত কোন লোক পাওয়া যাবেনা । এমনকি মানুষের কাছে একটি সেজদা দুনিয়া এবং তার মধ্যকার সমস্ত বস্তু হতে শ্রেষ্ঠ হবে । আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা বলেন ,তোমরা আল্লাহর এই বাণীটি পাঠ কর, আহলে কিতাবদের প্রত্যেকেই তার মৃত্যুর পূর্বে তার প্রতি ঈমান আনয়ন করবে এবং বিচার দিবসে তিনি তাদের উপর সাক্ষ্য প্রদান করবেন "।
[বুখারী অধ্যায়ঃ কিতাবু আহাদীছুল আম্বিয়া মুসলিম। অধ্যায়ঃ ঈসা আলাই সালাম এর অবতরণ।]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা বুঝাতে চাচ্ছেন আহলে কিতাবের অনুসারীরা ঈসা আলাইহিস সালামের মৃত্যুর পূর্বেই তার ওপর ঈমান আনবে।আর সেটি হবে আখেরি জামানায় তাঁর অবতরণের পর। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ,"দাজ্জাল যখন মুসলিমদের ঈমান ধ্বংসের কাজে লিপ্ত থাকবে, আল্লাহতালা তখনই ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালামকে পাঠাবেন। জাফরানের রঙিন দুটি পোশাক পরিহিত হয়ে এবং দুজন ফেরেশতা পাখার ওপর হাত রেখে দামেস্ক শহর এর পূর্বে অবস্থিত সাদা মিনার ওপর তিনি অবতরণ করবেন। তিনি যখন মাথা নিচু করবেন তখন সদ্য গোসলখানা থেকে বেরিয়ে আসা ব্যক্তির মাথা থেকে যেভাবে পানি ঝরতে থাকে সেভাবে তার মাথা থেকে পানি ঝরতে থাকবে। এবং যখন মাথা উঁচু করবেন তখন অনুরূপভাবে তার মাথা হতে তেমনি মনি-মুক্তোর মত চকচকে পানির ফোটা ঝরতে থাকবে। কাফেরের শরীরে তার নিঃশ্বাস পড়ার সাথে সাথেই কাফের ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করবে। তার চোখের দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত গিয়ে তার নিশ্বাস শেষ হবে। তিনি দাজ্জালকে ফিলিস্তিনের লুদ্দ শহরে প্রবেশদ্বারে পাকড়াও করে হত্যা করবেন।
অতঃপর ঈসা আলাই সাল্লাম এর নিকট এমন কিছু লোক আসবেন যাদেরকে আল্লাহ তা'আলা দাজ্জালের ফিতনা থেকে হেফাযত করেছেন তিনি তাদের চেহারায় হাত বুলাবেন এবং বিশেষ দের মধ্যে তাদের উচ্চমর্যাদা সুসংবাদ দিবেন। [মুসলিম অধ্যায়ঃ কিতাবুল ফিতান।]
ঈসা ইবনে মরিয়ম আলাইহিস সালাম নবী হয়ে নতুন কোন শরীয়ত নিয়ে দুনিয়াতে আসবেন না; বরং তিনি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মত হয়ে আগমন করবেন এবং ইসলামী শরীয়তের মাধ্যমে বিচার ফয়সালা করবেন। তার দায়িত্বের মধ্যে সর্বপ্রথম থাকবে দাজ্জালকে হত্যা করা ।পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে মুসলিমগণ যখন তার দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকবে ঠিক তখন আল্লাহর নবী ঈসা আলাইহিস সালামের আগমন করবেন। তখন ফজরের নামাজের ইকামত হয়ে যাবে ইমাম মাহাদী ঈসা (আঃ)এর আগমন অনুভব করবেন এবং তিনি পিছিয়ে আসতে চেষ্টা করবেন যাতে ঈসা আলাইহিস সালাম সামনে গিয়ে নামাজের ইমামতি করেন। ঈসা আলাইহি সালাম ইমাম মাহাদী কাঁধে হাত রেখে বলবেন তুমি সামনে যাও এবং নামায পড়াও। কারণ তোমার জন্যই এ নামাজের ইকামত দেওয়া হয়েছে। অতঃপর ইমাম মাহাদী নামাজের ইমামতি করবেন। ঈসা আলাই সালাম ইমাম মাহদীর পিছনে মুক্তাদি হয়ে নামায আদায় করবেন। দাজ্জাল ঈসা (আঃ) আগমন সম্পর্কে জানতে পেরে বাইতুল মাকদিস এর দিকে চলে যাবে। ঈসা (আঃ)সেখানে গিয়ে দেখবেন দাজ্জাল একদল মুসলিম অবরোধ করে রেখেছে। ঈসা (আঃ) সেখানে গিয়ে দরজা খুলতে বলবেন দরজা খুলে দেওয়া হলে তিনি পিছনে দাজ্জালকে দেখতে পাবেন। দাজ্জালের সাথে থাকবে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত 70 হাজার ইহুদি । ঈসা আলাই সাল্লাম কে দেখে পানিতে লবণ গোলায় গলতে থাকবে । ঈসা (আঃ) যদি তাকে ছেড়েও দেন । তথাপিও সে মৃত্যু পর্যন্ত গলতে থাকবে। দাজ্জাল পালাতে চেষ্টা করবে। ঈসা আলাই সালাম তাকে লক্ষ্য করে বলবেন তোমাকে আমি একটা আঘাত করব যা থেকে তুমি কখনো রেহায় পাবে না।
ঈসা আলাই সালাম লুদ্দ শহরের পূর্ব গেইটে নিজ হাতে তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করবেন এবং মুসলিমদেরকে তার লৌহাস্তে দাজ্জাল হত্যার আলামত হিসেবে রক্ত দেখাবেন"।
ঈসা আলাই সালাম এর দ্বিতীয় বৃহত্তম দায়িত্বের মধ্যে থাকবে ইয়াজুজ-মাজুজ কে ধ্বংস করা। দাজ্জালের ফিতনা ধ্বংস করার পর ইয়াজুজ-মাজুজের দল পৃথিবীকে নতুন করে মহা বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। এই বাহিনীর মোকাবেলা করা মুসলিমদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়বে। ঈসা আলাই সাল্লাম আল্লাহর কাছে এই বাহিনীকে ধ্বংস করার জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করবেন। আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করবেন এবং ঈসা আলাই সালাম এর নেতৃত্বে ইয়াজুজ-মাজুজের বাহিনীকে সমূলে ধ্বংস করে দিবেন।
ঈসা আলাই সালাম এর সর্বশেষ দায়িত্ব থাকবে সমস্ত অশান্তি নিঃশেষ করে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা। তিনি নেতৃত্বে ইসলামী শরীয়ত অনুসরণ করবেন। আল্লাহর কিতাব এবং আমাদের নবীর সুন্নত দিয়ে বিচার ফয়সালা করবেন। সে সময় ইসলাম ছাড়া বাকি সমস্ত মতবাদ বিলীন হয়ে যাবে।
এজন্য তিনি খ্রিস্টান ধর্মের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত ক্রুশ চিহ্ন ভেঙ্গে ফেলবেন ,শুকর হত্যা করবেন ,ইহুদী খ্রিস্টানদের কাছ থেকে জিযইয়া গ্রহণ প্রত্যাখ্যান করবেন।
ইসলাম অথবা হত্যা ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করবেন না। মোটকথা এ শরীয়তকে নতুনভাবে সংস্কার করার জন্য এবং সর্বশেষ নবীর আদর্শ বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি পৃথিবীতে আগমন করবেন। [( তাজকিরা-লিলইমাম কুরতুবী ২/৭৯২)]
হাদিস থেকে জানা যায় যে, ঈসা আলাই সালাম এর সময় কালে ব্যাপক সুখ শান্তি নিরাপত্তা ও বরকত বিরাজ করবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর বান্দাদেরকে সমস্ত জিনিস দ্বারা সম্মানিত করবেন । মানুষে-মানুষে হিংসা-বিদ্বেষ উঠে যাবে এবং সকল মানুষ কালেমায়ে তাইয়্যেবা তথা ইসলাম একত্রিত হয়ে যাবে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ,আমার উম্মতের ভিতরে ন্যায়-বিচারক শাসক এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী নেতা হয়ে ঈসা (আঃ) আগমন করবেন।
তিনি খ্রিস্টান ধর্মের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত ক্রুসচিহ্ন ভেঙ্গে ফেলবেন ,শুকর হত্যা করবেন, ইহুদী-খ্রিস্টানদের থেকে জিজিয়া গ্রহণ প্রত্যাখ্যান করবেন।
সাদাকা গ্রহণ প্রত্যাখ্যান করা হবে।
অর্থাৎ কোনো অভাবী মানুষ থাকবে না ।সবাই আল্লাহর রহমতে ধনী হয়ে যাবে ।
কাজেই সাদকা নেওয়ার মতো কোনো লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না।
ছাগল বা অন্য কোন চতুষ্পদ জন্তুর প্রতি যত্ন নেয়া হবে না ।
মানুষে মানুষে হিংসা-বিদ্বেষ উঠে যাবে ।
বিষাক্ত সাপের বিষ চলে যাবে।
শিশু বাচ্চারা বিষাক্ত সাপের মুখে হাত ঢুকিয়ে দেবে। কিন্তু সাপ শীশুকে কামড় দিবে না ।
এমনিভাবে শিশু বাচ্চা সিংহের পিঠে উঠে বসবে।
কিন্তু সিংহ বাচ্চাদের কোন ক্ষতি করবে না ।
ছাগল এবং নেকড়ে বাঘ একসাথে মাঠে চরে বেড়াবে। অর্থাৎ বাঘ রাখালের ছাগলের মত হয়ে থাকবে।
পানির মাধ্যমে গ্লাস যেমন পরিপূর্ণ হয়ে যায় ,পৃথিবীর এমনভাবে শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে ।
সকলের কথায় একই হবে ,পৃথিবীতে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও এবাদত করা হবে না ।
যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ হয়ে যাবে।
কুরাইশদের রাজত্ব ছিনিয়ে নেয়া হবে।
একবারে খাটি রৌপ্যের ওপর মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে ।
আদম আলাই সালাম এর জামানা থেকে শুরু করে তখন পর্যন্ত সকল প্রকার ফল ও ফসল উৎপন্ন হবে। অন্য বর্ণনায় আছে পাহাড়ের উপরে বীজ ছিটিয়ে দিলে সেখানে ফসল উৎপন্ন হবে। একটি আঙ্গুর এমন বড় থোকা হবে যে, একজন মানুষ তা খেয়ে পরিতৃপ্ত হবে। একটি ডালিম একদল মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে। বলদ গরুর দাম বেড়ে যাবে এবং কয়েক পয়সা দিয়ে ঘোড়া ক্রয় করা যাবে।
[ইবনে মাজাহ কিতাবুল ফিতান। সহীহুল জামে আস সাগিরা ,হাদিস নং -৭৭৫২]
গরুর দাম বাড়ার এবং ঘোড়ার দাম কমার কারণ হলো সমস্ত জমিন চাষাবাদের উপযুক্ত হয়ে যাবে। কাজে গরুর প্রয়োজন হবে বেশি। পক্ষের যুদ্ধ-বিগ্রহ থাকবে না বলে ঘোড়ার কোন মূল্যই থাকবেনা ।
ঈসা আলাই সালাম পৃথিবীতে কতদিন থাকবেন এ ব্যাপারে দুই ধরনের মত পাওয়া যায়। কোন কোন বর্ণনায় আছে তিনি ৭ বছর অবস্থান করবেন। আবার কোন বর্ণনায় আছে ৪০বছরের কথা। রাসুল সাঃ বলেন অতঃপর তিনি ৪০বছর পৃথিবীতে অবস্থান করে মৃত্যুবরণ করবেন মুসলিমরা তার জানাযার নামাজ পরে তাকে দাফন করবেন।
[মুসনাদে আহমদ ও সুনানে আবু দাউদ। সহীহুল জামে আস সাগির,হাদিস নং -৫২৬৫]
মুসলিম শরীফে বলা হয়েছে অতঃপর মানুষেরা পৃথিবীতে সাত বছর শান্তিতে বসবাস করবে পরস্পরের মধ্যে কোন প্রকার হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না"। (সহিহ মুসলিম অধ্যায়ঃ দাজ্জালের আলোচনা)
উভয় বর্ণনার মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে গিয়ে আলেমগণ বলেন যে বর্ণনায় ৭বছরের কথা বলা হয়েছে। সেখানে অবতরণ করার পর ৭ বছরের কথা বলা হয়েছে। যেখানে ৪০বছরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে আকাশে উঠিয়ে নেয়ার সময় তার বয়স কে পুনরায় হিসাব করে দেখানো হয়েছে। আলাই সালাম কোথায় মৃত্যুবরণ করবেন -এ ব্যাপারে কোনো সুস্পষ্ট দলিল পাওয়া যায় না। কোন কোন আলেম বলেন তিনি মদীনা ইন্তেকাল করবেন এবং মদিনাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর সাথে তাকে দাফন করা হবে।
ইমাম কুরতুবী বলেন তার কবর কোথায় হবে এ ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। কেউ বলছেন বাইতুল মাকদিসে, আবার কেউ বলছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মদিনায় তার কবর হবে। [লাউয়া মেউল আনোয়ার,(২/১১৩)।]
আল্লাহ ভাল জানেন।
0 মন্তব্যসমূহ