মক্কার সবচেয়ে বড় কুস্তিগিরি এর সাথে রাসূল সাঃ মুখোমুখি লড়াই।
আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ-
| মক্কার সবচেয়ে বড় কুস্তিগিরি এর সাথে রাসূল সাঃ মুখোমুখি লড়াই। |
মক্কার সবচেয়ে বড় কুস্তিগীর এর নাম ছিল রুকানা। মজার বিষয় হচ্ছে সাহাবীরা কখনোই বিশ্বনবীকে রুকানার গাছে বিরতে দিতেন না। কারণ তারা ভয় পেত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম যদি তার কাছে যায় তাহলে সে যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম এর সাথে নিজের বীরত্ব দেখাতে গিয়ে বা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আল্লাহর রাসূলকে আক্রমণ করে বসে, ঘুসি মেরে বসে । তাহলে হয়তো খুবই খারাপ অবস্থা হয়ে যাবে। মক্কার সবচেয়ে বড় কুস্তিগিরি এর সাথে রাসূল সাঃ মুখোমুখি লড়াই।
কিন্তু বিশ্বনবী তো কিছু নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নবী হয়ে আসেননি। তিনি পুরো বিশ্ব জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ এসেছেন। একদিন বিশ্ব নবীর ফজরের সালাত শেষ করে লুকিয়ে লুকিয়ে মক্কা সবচেয়ে বড় কুস্তিগির রুকানার কাছে চলে গিয়েছে । তিনি গিয়ে বললেন রুকানা ইসলাম মানে শান্তি থাকো। এতে করে দুনিয়াতেও শান্তিতে থাকবে আখেরাতেও পারবে। সুবাহানাল্লাহ।
মক্কার সবচেয়ে বড় কুস্তিগিরি এর সাথে রাসূল সাঃ মুখোমুখি লড়াই।
রক্বানা বললেন না আমি কালেমা পড়বো না। তুমি যদি আমাকে বক্সিং খেলে হারিয়ে দিতে পারো তাহলে কালিমা পরবো। বিশ্বনবী উত্তর দিলেন আমিতো বক্সিং খেলা না। এই কথা শুনে বললো তাহলে আমিও কালিমা পড়ি না। তারপর কথা শুনে রাজি হয়ে গেল। তিনি ভাবলেন আমি একজন ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে জান্নাতি হয়। তাহলে সমস্যা কি ? সুবাহানাল্লাহ। এবার বক্সিং খেলার পালা রুকানা শরীরে জাইতুন তেল মেখে এবং শর্ট প্যান্ট পরে লাফাচ্ছিল ।সে মারার জন্য পজিশন নিচ্ছিলো। কিন্তু অপরপক্ষে বিশ্বনবী সাঃ প্রদর্শন বা কোন প্রস্তুতি নেন উনি দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনটা দেখে রুকানা বলল মোহাম্মদ তুমি লাভ হচ্ছে না কেন তুমি ওলা ফর তখন বিশ্বনবী বলে না মিলা ফাইনাল গানা আমি সেলাইবিহীন লুঙ্গি পরি সেলাইবিহীন লুঙ্গি পরে যদি কেউ লাফায় তাহলে তার সতোর খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই তিনি লাফালাফি করেন নি। যাই হোক এবার মারামারি করার পালা। রক্বানা বলল, ইয়া মোহাম্মদ মারো।বিশ্বনবী বললেন তুমি মারো কারণ আমি মারলে ওই মার তুমি হজম করতে পারবে না। বিশ্বনবীর একহাতে জান্নাতে 40 জনের শক্তি দিয়ে দিয়েছেন আল্লাহতালা। রুকানা নিজেও জানতোনা, বিশ্বনবী যদি তাকে মার দে তাহলে সেটি নেওয়ার ক্ষমতা তার নেই। সে ভাবছে দৈহিকভাবে আমি কত শক্তিশালী। এই মোহাম্মদ আমার কী করতে পারবে? তো এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে উভয়পক্ষ। রুকানাও মারেনা বিশ্বনবী ও মারেনা । খেলা ও শুরু হয় না। তারপর রুকানা বললো-হে মোহাম্মদ! তুমি মারো । তখন বিশ্বনবী নিজের নরম হাত মুবারক দিয়ে রুকানার কাঁধে শুধুমাত্র স্পর্শ করলেন। উনি মারেনও নি । কিছুই করেনি। শুধু বলেছেন এই রুকানা তুই এত লাফাচ্ছোস কেন? শুধুমাত্র স্পর্শ করার সাথে সাথে রুকানা বেহুঁশ হয়ে পড়ে যায়। সবাই তো অবাক ।ঘটনা কি ! ঘটনা কি! এই বলে সবাই চিৎকার চেঁচামেচি করছিল তারপর পানি দিয়ে রুকানাকে হুশ ফেরানো হয়েছিল 1 ঘণ্টা পর। সবাই বলে রক্বানা তুই তো অনেক বড় পালোয়ান ।আব্দুল্লাহর ব্যাটা মোহাম্মদ তোকে ঘুষি ও দিলোনা লাথিও দিলোনা ।বেহুঁশ হইলি কেন? রুকানা উত্তর দিলো তোরা তো দেখিস নাই। তোরা তো দেখেছিস মোহাম্মদ হাত দিয়ে ধরেছে । আমার মনে হচ্ছে বিশাল ওহুদ পাহাড় এসে কাঁধে চেপে বসেছে ।সুবহানাল্লাহ।
মক্কার সবচেয়ে বড় কুস্তিগিরি এর সাথে রাসূল সাঃ মুখোমুখি লড়াই।
0 মন্তব্যসমূহ