যে নামাজে আমাদের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়।في تلك الصلاة تغفر كل ذنوبنا.

  যে নামাজে আমাদের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়।


আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ-

মুমিন ব্যক্তি চেষ্টা করা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে। কিন্তু কখনো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গোনাহ হয়ে যায়। তখন মুমিন ব্যক্তির আফসোসও আক্ষেপের শেষ থাকে না; কেন গুনাহের জড়ালাম ,কেন গুনাহের পথে পা বাড়ালাম, কীভাবে পরিত্রান পাব এই গুনাহ থেকে ? কৃত গুনাহ তাকে কষ্টে নিপতিত করে।আর এটাই মুমিনের পরিচয় এটি তার ঈমানের প্রমান।


আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা বলেন-

 এক ব্যক্তি রাসূল (সাঃ)কে জিজ্ঞেস করল, আল্লাহর রাসূল , ঈমান কি ? অর্থাৎ আমি কিভাবে বুঝবো আমার মধ্যে ইমান আছে? রাসুল সাঃ উত্তরে বললেন-যখন তোমার নেক আমল তোমাকে আনন্দিত করবে এবং তোমার গুনাহ তোমাকে কষ্ট নিপতিত করবে । অর্থাৎ গোনাহের কারণে তুমি কষ্ট পেতে থাকবে। তাহলে বুঝবে তুমি মুমিন। 

মুমিনের এই কষ্ট হল গুনাহ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাকুলতার কষ্ট। এই কষ্ট থেকে মুমিন আল্লাহর দুয়ারে ক্ষমার ভিখারি হয়ে ধরনা দেয়। উত্তমরূপে অজু করে এবং নামাযে দাঁড়িয়ে যায়। ইস্তেগফারের অশ্রুসিক্ত হয় আর তখনই রহমানুররাহিম ক্ষমার দরিয়া ঢল নামে। সব গুনাহ মাফ করে দেয়।


আবু বক্কর (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-‌মুসলিম যখন কোন গুনাহ করে ফেলে, অজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং উক্ত পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।


নবীজী সাঃ এর দুটি আয়াত তেলাওয়াত করেন- অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোন মন্দ কাজ করে ফেলে বা নিজের প্রতি জুলুম করে বসে তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছি অবশ্য আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু হিসেবেই পাবে । (সূরা নিসা,আয়াত -১১০)


এবং তারা সে সকল লোক যারা কখনো কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা অন্য কোন ভাবে নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ কর এবং তার ফলশ্রুতিতে নিজেদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। (সূরা আল ইমরান আয়াত- ১৩৫)

 তথ্যসূত্র- মুসনাদে আহমদ ,হাদিস- ৪৭)

সহীহ ইবনে হিব্বান ,হাদীস- ৬৩০

 মুসনাদে আবু ইয়ালা ,হাদিস-১৩ 



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code

Responsive Advertisement